আবু মাইসারা
ইহুদি ইবনে সাবা উদ্ভাবিত ইমামতকে দ্বীনের আবশ্যক অংশ বানিয়ে তা নিয়ে আল্লাহ্,রাসূল(ﷺ) কে জঘন্য উপায়ে অপমান করার স্পর্ধা দেখায় রাফেজী শিয়ারা! এই রাফেজী শিয়ারা এতদূর গিয়েছে যে, আল্লাহ ও তার হাবীব রাসূল(ﷺ)-কে পর্যন্ত অস্বীকার করে বসেছে!!
বিখ্যাত শিয়া-ধর্মগুরু নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়েরী তার কিতাব আনওয়ার আন নুমানিয়া-তে লিখেছে-
وحاصله أنا لم يجتمع معهم على الله ولا على نبي ولا على إمام وذلك أنهم يقولون إن ربهم هو الذي كان محمد ﷺ نبيه وخليفته بعده أبو بكر، ونحن لا نقول بهذا الرب ولا بذلك النبي بل نقول إن الرب الذي خليفة نبيه أبو بكر ليس ربنا ولا ذلك النبي نبينا ووجه آخر لكنه
অনুবাদঃ
মূলকথা হলো যে, আমি তাদের (আহলে সুন্নাহর) সাথে আল্লাহর ব্যাপারে, নবীর ব্যাপারে কিংবা ইমামের ব্যাপারে একমত নই। কারণ তারা বলে যে, তাদের রব তিনিই যার নবী ছিলেন মুহাম্মদ ﷺ এবং তার পরে খলিফা হলেন আবু বকর। আমরা (রাফেজীরা) এই রব কিংবা সেই নবীকে মানি না। বরং আমরা বলি যে, যে রবের নবীর খলিফা আবু বকর, তিনি আমাদের রব নন এবং সেই নবী আমাদের নবী নন।

নাউযুবিল্লাহ! এই হলো রাফেজী শিয়াদের আসল চেহারা।আমি আপনাদের বারবার বলে আসছি এরা হলো সেই জোরোস্ট্রারিয়ান মাজুস যাদের নবী (ﷺ) ও আল্লাহর উপর ঈমান নেই। তাকিয়া করে মুসলিম সমাজে চলে মুসলিমদের ঈমান ধ্বংস করাই এদের মূল লক্ষ্য। কোন শিয়াকে দেখেছেন এইসব লেখা পোস্ট করতে? আপনাদের সামনে কোন শিয়া পরলে বলবেন ও এগুলা বিশ্বাস করলে ঈমান থাকবে কিনা? যদি বলে না ঈমান থাকবেনা তাহলে ওকে বলবেন ওদের পাদ্রী নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়েরীকে কাফের ফতোয়া দিতা।আর যদি বলে যে শিয়ারা এগুলা বিশ্বাস করে তাহলে তো ওরা মেনেই নিলো যে ওরা মুসলিম নয় কারণ নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়েরীর মতে মুসলিমদের আল্লাহ ওদের আল্লাহ না, মুসলিমদের নবী (ﷺ) ওদের নবী (ﷺ) না । এখন শিরারাই সিদ্ধান্ত নিক শিয়াদের রবের নবী কি মুহাম্মদ (ﷺ) নাকি রাফেজী শিয়া পন্ডিত নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়েরী কাফের?
তথ্যসূত্রঃ
[১] নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়েরী, আনওয়ার আন নুমানিয়া,খণ্ড ২,পৃষ্ঠা ১৯১


Leave a comment