মুখতার সাক্বাফি: এক মিথ্যাবাদী উপাখ্যান

মূলঃ নাদের জাভেরী শিয়্যিই

(আর্টিকেলটি এক রাফেজী শিয়া লেখকের)

মুখতার সাক্বাফি সম্পর্কে একটি সহিহ (বিশুদ্ধ) হাদিস রয়েছে যেখানে কারবালার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার কারণে তার প্রশংসা করা হয়েছে। এই হাদিসটি শুধুমাত্র হোসাইন (রা) এবং তাঁর সঙ্গীদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখতারের কাজের প্রশংসা করা হয়েছে । হাদীসটি হলো-

হাদীস-১ঃ

إبراهيم بن محمد الختلي قال حدثني أحمد بن إدريس القمي قال حدثني محمد بن أحمد قال حدثني الحسن بن علي الكوفي عن العباس بن عامر عن سيف بن عميرة عن جارود بن المنذر عن أبي عبد الله (ع) قال ما امتشطت فينا هاشمية و لا اختضبت حتى بعث إلينا المختار برءوس الذين قتلوا الحسين (ع)

ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ আল-খাতালি থেকে বর্ণিত, তিনি আহমদ বিন ইদ্রিস আল-কুম্মি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আহমদ থেকে, তিনি আল-হাসান বিন আলী আল-কুফি থেকে, তিনি আব্বাস বিন আমের থেকে, তিনি সাইফ বিন উমায়রা থেকে, তিনি জারুদ বিন আল-মুনজির থেকে এবং তিনি আবু আবদিল্লাহ (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন:

“বনী হাশিমের মহিলারা চুল আঁচড়াতেন না এবং কলপ লাগাতেন না (অর্থাৎ নিজেদের সাজাতেন না), যতক্ষণ না মুখতার হুসাইন (আলাইহিস সালাম)-এর হত্যাকারীদের মাথা আমাদের কাছে পাঠিয়েছিলেন।”

তথ্যসূত্র ও মানদণ্ড

  • উৎস: আল-কাশশি, ইখতিয়ার মা’রিফাহ আল-রিজাল, পৃষ্ঠা ১২৭, হাদিস নম্বর ২০২।
  • হাদীসটির মান : আল-খুই এই হাদিসটিকে সহীহ (বিশুদ্ধ) বলে উল্লেখ করেছেন।
    • দ্রষ্টব্য: মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১৮, পৃষ্ঠা ৯৩, ব্যক্তি নম্বর ১২১৫৮।

আমার ধারণা ছিল যে, মুখতারের নিন্দায় বর্ণিত সকল হাদিসই যয়িফ (দুর্বল)। দুর্ভাগ্যবশত আমি খুয়ী- এর মতামতের ওপর নির্ভর করেছিলাম, কিন্তু নিবিড় গবেষণার পর দেখলাম যে আমি ভুল ছিলাম। তাই আমি দীর্ঘ সময় ধরে মুখতার সম্পর্কে একটি পোস্ট করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলাম, কারণ দুর্ভাগ্যবশত আমাদের কিছু শিয়া ইরানি টিভি সিরিজ মুখতার নামাহ (মুখতারের কাহিনী) দ্বারা বিভ্রান্ত ও প্রভাবিত হচ্ছে। আপনি যদি এই টিভি সিরিজটি দেখেন, তবে এটি শেষ করার পর আপনার মনে এমন ধারণা তৈরি হবে যে মুখতার একজন “ভালো” মানুষ ছিলেন, যা আসলে সত্য থেকে অনেক দূরে। নিচের হাদীসটিই তার প্রমাণ-

হাদীস-২ঃ

محمد بن الحسن و عثمان بن حامد، قالا حدثنا محمد بن يزداد الرازي، عن محمد بن الحسين بن أبي الخطاب، عن عبد الله المزخرف، عن حبيب الخثعمي، عن أبي عبد الله (ع) قال كان المختار يكذب على علي بن الحسين (عليهما السلام

হাবিব খাত্ব’আমি থেকে বর্ণিত, আবু ‘আবদিল্লাহ (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: “মুখতার ‘আলি বিন হুসাইন (আলাইহিস সালাম)-এর নামে মিথ্যা আরোপ করতেন।”

সূত্র: কাশী, রিজাল আল কাশী: সম্পাদনাঃ সাইয়্যিদ মাহদি রিজায়ি, (কোম: মুয়াসসাসাহ আলি আল বাইত এহয়াউত তুরাস, ১৪০৪), পৃষ্ঠা ৩৪০, হাদিস নং ১৯৮।

হাদীসটির মান :

১. মুকাদ্দিস আরদাবিলি বলেছেন, এই হাদিসটি হাসান ত্বরিক্ব ওয়াদিহুল মাতন (উত্তম সূত্র এবং সুস্পষ্ট পাঠ্য)।

২. ‘আলি বুরুজারদি বলেছেন, এই হাদিসটি হাসান ত্বরিক্ব

৩. আসিম মুহসিন বলেছেন, এর সূত্রে কোনো সমস্যা নেই।

খুই তাঁর মু’জামু রিজালিল হাদিস-এ বলেছেন যে এই হাদিসটি যয়িফ (দুর্বল)। কিন্তু আপনি যদি খুয়ী-এর পুরো গ্রন্থটি দেখেন এবং তাঁর নিজস্ব মানদণ্ড অনুসরণ করেন, তবে দেখবেন যে তিনি তাঁর নিজের নির্ধারিত মানদণ্ড ও মূল্যায়নেরই বিরোধিতা করেছেন।

হাদীসটির সনদ বিশ্লেষণ:

১. উসমান বিন হামিদ (`Uthmān bin Ḥāmid) عثمان بن حامد: ইনি সিকাহ ( নির্ভরযোগ্য), যা নিম্নোক্ত উৎস দ্বারা সমর্থিত:

  • আল-তুসী, রিজাল, পৃষ্ঠা ৪২৯, ব্যক্তি নং ৬১৬৩
  • আল-হিল্লি, আল-খুলাসাত, পৃষ্ঠা ১২৬, ব্যক্তি নং ৩
  • আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা ১০৬, ব্যক্তি নং ৭৫৭৩

২. মুহাম্মদ বিন ইয়াজদাদ আল-রাজি (Muhammad bin Yazdād al-Rāzī) محمد بن يزداد الرازي: তাঁর ব্যাপারে কোনো সমস্যা নেই (فلا بأس به ), যা নিম্নোক্ত উৎস দ্বারা সমর্থিত:

  • আল-কাশি, রিজাল, পৃষ্ঠা ৫৩০ – ৫৩১, হাদিস নং ১০১৪
  • ইবনে দাউদ, রিজাল, পৃষ্ঠা ৩৮৮
  • আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১৮, পৃষ্ঠা ২৪৫ – ২৪৭ (আল-খুয়ী এখানে মুহাম্মদ বিন ইয়াজদাদ আল-রাজি সম্বলিত একটি হাদিসকে বিশুদ্ধ বলে সত্যায়ন করেছেন)

৩. মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আবি আল-খাত্তাব (Muhammad bin al-Ḥussayn bin Abī al-Khaṭṭāb) محمد بن الحسين بن أبي الخطاب: ইনি সিকাহ ( নির্ভরযোগ্য), যা নিম্নোক্ত উৎস দ্বারা সমর্থিত:

  • আল-নাজাশী, রিজাল, পৃষ্ঠা ৩৩৪, ব্যক্তি নং ৮৯৭
  • আল-তুসী, রিজাল, পৃষ্ঠা ৪০০, ব্যক্তি নং ৬০৮
  • আল-তুসী, আল-ফিহরিস্ত, পৃষ্ঠা ৩৭৯, ব্যক্তি নং ৫৬১৫
  • আল-হিল্লি, আল-খুলাসাত, পৃষ্ঠা ১৪১, ব্যক্তি নং ১৯
  • আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১৫, পৃষ্ঠা ২৯১, ব্যক্তি নং ১০৫৫৪

৪. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-হাজ্জাল আল-মাযখারাফ (`Abd Allāh bin Muhammad al-ḥajjāl al-Mazkharaf) عبد الله بن محمد الحجّال المزخرف: ইনি সিকাহ ( নির্ভরযোগ্য), যা নিম্নোক্ত উৎস দ্বারা সমর্থিত:

  • আল-নাজাশী, রিজাল, পৃষ্ঠা ২২৬, ব্যক্তি নং ৫৯৫
  • আল-তুসী, রিজাল, পৃষ্ঠা ৩৬০, ব্যক্তি নং ৫৩৩২
  • আল-হিল্লি, রিজাল, পৃষ্ঠা ১০৫, ব্যক্তি নং ১৮
  • আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ৩০১, ব্যক্তি নং ৭০৯৫

৫. হাবিব বিন আল-মু’আল্লিল আল-কাথামি (Habīb bin al-Muallil al-Kathamī) حبيب الخثعمي: ইনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য), যা নিম্নোক্ত উৎস দ্বারা সমর্থিত:

  • আল-নাজাশী, রিজাল, পৃষ্ঠা ১৪১, ব্যক্তি নং ৩৬৮
  • আল-হিল্লি, আল-খুলাসাত, পৃষ্ঠা ৬২, ব্যক্তি নং ৪
  • আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২৪, ব্যক্তি নং ২৫৭০

মুহাম্মদ বিন ইয়াজদাদ আল-রাজি সম্পর্কে

আল-কাশির রিজাল (Rijal), পৃষ্ঠা ৫৩০-৫৩১, হাদিস নং ১০১৪-এ একটি নির্ভরযোগ্য (authentic) বর্ণনা রয়েছে যা সকল শিয়া পণ্ডিত গ্রহণ করেছেন। সেখানে মুহাম্মদ বিন মাসউদ আল-আইয়াশি, মুহাম্মদ বিন ইয়াজদাদ আল-রাজি সম্পর্কে বলেছেন: “লা বা’সা বিহি” (فلا بأس به) অর্থাৎ “তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই”।

আপনি যখন আল-খুয়ী-এর মু’জাম রিজাল আল-হাদিস দেখবেন, তখন আপনি লক্ষ্য করবেন যে আল-খুয়ী তাকে কখনো দুর্বল বা মাজহুল (অজ্ঞাত) বলেননি। বরং আপনি দেখবেন আল-খুয়ী তার বর্ণনাগুলো গ্রহণ করেছেন। এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

محمد بن الحسن البراني و عثمان قالا: حدثنا محمد بن يزداد، عن محمد بن الحسين، عن الحجال، عن أبي مالك الحضرمي، عن أبي العباس البقباق قال

এই বর্ণনার পর আল-খুয়ী বলেছেন: “হাযিহি আল-রিওয়ায়াতু সহিহা” (আমি বলছি: এই বর্ণনাটি সহিহ (নির্ভরযোগ্য))। (দেখুন: আল-খুয়ী, মু’জাম রিজাল আল-হাদিস, খণ্ড ১৮, পৃষ্ঠা ২৪৫-২৪৬)

“লা বা’সা বিহি” (তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই) প্রসঙ্গে

শিয়া ইসলামের অধিকাংশ পণ্ডিত (শুধু আল-খুয়ী নন) “লা বা’সা বিহি” (لا بأس به) শব্দগুচ্ছকে তাওছিক বা নির্ভরযোগ্যতা অথবা মাদাহ বা প্রশংসা হিসেবে গ্রহণ করেছেন:

  1. আল-বিহবাহানি, আল-ফাওয়াইদ আল-ওয়াহিদ, পৃষ্ঠা ৩১-৩২
  2. ইদ্দাহ আল-রিজাল, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১২২-১২৩
  3. মোল্লা আলী আল-তিহরানি, তাওদিহ আল-মাকাল, পৃষ্ঠা ২০৩
  4. আল-মামাকানি, মিকবাস আল-হিদাইয়াহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২২৮
  5. হাসান বিন আবদ আল-সামাদ আল-হাইরি, উসুল আল-আখইয়ার, পৃষ্ঠা ১৯২
  6. সায়্যিদ আল-দামাদ, আল-রাওয়াশিহ আল-সামাউইয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৬০
  7. মুহাম্মদ আলী আল-মুয়াল্লিম, উসুল ইলম আল-রিজাল, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫০

((এটি কাশি-র রিজাল নামক গ্রন্থের ব্যক্তিগত কপি থেকে সংগৃহীত, বৈরুত: মুয়াসসাসাহ আমালি লিল মাতবু’আত, প্রথম সংস্করণ, ১৪৩০ হিজরি, পৃষ্ঠা ৯৭))

আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, এই দ্বিতীয় হাদিসটি সহিহ বা হাসান পর্যায়ের এবং এর নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই। এই বর্ণনাটি অধ্যয়ন করলে এবং মুখতার আল-সাকাফির জীবনের সাথে তুলনা করলে এটি স্পষ্ট হয় যে, আইম্মাহগণ (আলাইহিমুস সালাম) কারবালার খুনিদের হত্যা করার জন্য তাঁর প্রশংসা করেছিলেন; কিন্তু ব্যক্তি মুখতার এই সহিহ বর্ণনা এবং ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে কঠোরভাবে নিন্দিত হয়েছেন।

কেউ মনে করতে পারেন যে, এই দুটি হাদিস একে অপরের বিরোধী (প্রথম হাদীসটি প্রশংসামূলক আর দ্বিতীয়টি নিন্দামূলক), কিন্তু বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। এগুলো খুব সহজেই সমন্বয়যোগ্য। কারবালার প্রতিশোধ গ্রহণ করার কারণে আহলে বাইত (আলাইহিমুস সালাম) মুখতারের প্রশংসা করেছেন; কিন্তু তারা ব্যক্তি মুখতারের প্রশংসা কখনোই করেননি। অন্যদিকে, দ্বিতীয় হাদিসটি ব্যক্তি হিসেবে মুখতারের নিন্দা করে এবং তাকে একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে অভিহিত করে। কেউ কেউ হয়তো বলতে পারেন যে এটি তাকিয়া হিসেবে বলা হয়েছিল, কিন্তু বিষয়টি তা নয়; কারণ উভয় হাদিস খুব সহজেই সমন্বয় করা সম্ভব।

যখন আপনি মুখতার বিন আবি উবায়দাহ সাক্বাফির জীবন নিয়ে গবেষণা করবেন, তখন দেখতে পাবেন যে তিনি কায়সানিয়্যাহ ফেরকার অন্যতম নেতা ছিলেন। কায়সানিয়্যাহরা বিশ্বাস করত যে, মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ (রহ) তার পিতার পর ইমাম ছিলেন। এই ফেরকাকে কায়সানিয়্যাহ বলা হয় কারণ মুখতারের লকব (উপাধি) ছিল কায়সান। (এ বিষয়ে অধিক তথ্যের জন্য দেখুন: নাউবাখতি, ফিরাকুশ শিয়া, পৃষ্ঠা ৩৩, #৫৫)।

মুখতারিয়্যাহ (যা কায়সানিয়্যাহ ফেরকার একটি উপ-দল) মতবাদ অনুযায়ী: “মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ হলেন ইমাম মাহদি, এবং তিনি ছিলেন ইমাম ‘আলির উত্তরসূরি। আহলে বাইতের কেউ তাঁর বিরোধিতা করতে পারবে না এবং তাঁর (মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহর) ইমামতের বিরুদ্ধে কেউ রুখে দাঁড়াতে পারবে না; আর তাঁর অনুমতি ব্যতীত কেউ তাঁর তলোয়ার ব্যবহার করতে পারবে না।” (সূত্র: নাউবাখতি, ফিরাকুশ শিয়া, অধ্যায়: “ইমামতে মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ”, পৃষ্ঠা ৩৮।)

মুখতার বিন আবি উবায়দাহ সাক্বাফি যে কায়সানিয়্যাহ ফেরকার নেতা ছিলেন তা প্রমাণ করার জন্য, নিচে ইরানের বিখ্যাত টিভি সিরিজ মুখতার নামাহ (মুখতারের কাহিনী) থেকে ইংরেজি সাবটাইটেলসহ দুটি ভিডিও দেওয়া হলো:

প্রথম ভিডিও: বিদ্রোহের জন্য মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ (রহ)-এর কাছে মুখতারের অনুমতি প্রার্থনা। (ভিডিওটি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং ৪৩:৫০ মিনিট পর্যন্ত দেখুন)। http://www.youtube.com/watch?feature=player_detailpage&v=7xi7eIfg6jg#t=2408s

দ্বিতীয় ভিডিও: মুখতার ইব্রাহিম বিন মালিক আশতারকে মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ (রহ)-এর পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেখান যাতে “মুহাম্মাদ আল মাহদি” হিসেবে স্বাক্ষর করা ছিল। ইব্রাহিম বিন মালিক বলেন যে, মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ সর্বদা তাঁর চিঠিতে “মুহাম্মাদ বিন ‘আলি” হিসেবে স্বাক্ষর করেন, “মুহাম্মাদ মাহদি” হিসেবে নয়। মুখতার বলেন যে, এটি মুহাম্মাদ বিন হানাফিয়্যাহ এবং তাঁর মধ্যকার একটি “গোপন রহস্য”। (ভিডিওটি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং ৮:৩০ মিনিট পর্যন্ত দেখুন)।

http://www.youtube.com/watch?feature=player_detailpage&v=ba-mwo_awbw#t=355s



Leave a comment