মেনু

রাফেজী

  • মুখতার সাক্বাফি: এক মিথ্যাবাদীর উপাখ্যান

    মুখতার সাক্বাফি: এক মিথ্যাবাদীর উপাখ্যান

    মূলঃ নাদের জাভেরী শিয়্যিই (আর্টিকেলটি এক রাফেজী শিয়া লেখকের) মুখতার সাক্বাফি সম্পর্কে একটি সহিহ (বিশুদ্ধ) হাদিস রয়েছে যেখানে কারবালার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার কারণে তার প্রশংসা করা হয়েছে। এই হাদিসটি শুধুমাত্র হোসাইন (রা) এবং তাঁর সঙ্গীদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখতারের কাজের প্রশংসা করা হয়েছে । হাদীসটি হলো- হাদীস-১ঃ إبراهيم بن محمد الختلي قال حدثني أحمد… Continue reading

  • মুখতার আস সাকাফি – হোসাইন (রা)-এর প্রতিশোধ গ্রহণকারী নাকি দুমুখো রাজনীতিবিদ?

    মুখতার আস সাকাফি – হোসাইন (রা)-এর প্রতিশোধ গ্রহণকারী নাকি দুমুখো রাজনীতিবিদ?

    (মূল পোস্ট-Al Mukhtar Al Thaqafi – Avenger of Al Husain or Two-Faced Politician?) মুখতার আস সাকাফি বরাবরই সুন্নি এবং শিয়াদের মধ্যে এক বিতর্কিত চরিত্র। প্রথম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তাঁর কর্মকাণ্ড এই অঞ্চলে পরিবর্তনের একটি ঢেউ তুলেছিল। হোসাইন (রা)-এর হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাঁর ডাক বা আহ্বানের গুরুত্ব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেই আহ্বানের কারণেই… Continue reading

  • রাফেজী শিয়াদের ইতিহাস-ভূমিকা

    আবু মাইসারা শিয়াদের অন্যতম ভয়ংকর ফিরকা হলো এই রাফেজী শিয়া। ইহাদিগকে রাফেজী বলার কারণ এই যে, ইহারা অধিকাংশ সাহাবাকেই পরিত্যাগ করিয়াছে এবং হযরত আবু বকর (রা:) ও হযরত উমর ফারুক (রা:)-এর খেলাফতকে অস্বীকার করিয়াছে।[১] কেহ কেহ রাফেজী নামকরনের কারণ এইরূপ বলে যে, যখন হযরত জয়নুল আবেদীনের মুখ হইতে হযরত আবু বকর (রা:) এবং হযরত উমর… Continue reading

  • ফাতিমিয়া বা উবাইদিয়্যা

    পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় ইসমাইল বিন জাফর সাদিককে নিজেদের সপ্তম ইমাম দাবি করত। ১৩৯ হিজরি সালে (৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে) ইসমাইলের পূত্র মুহাম্মদ বিন ইসমাইল ইমামত কবুল করে ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় দাবি করে যে, তিনি আত্মগোপন করে আছেন এবং অতি শীঘ্রই ইমাম মাহদি নামে আত্মপ্রকাশ করে পৃথিবীতে ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন। এ সময় আব্বাসি খিলাফতের দুর্বলতার… Continue reading

  • মুসতালিয়া

    ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিস্টাব্দে) অষ্টম উবায়দি (ফাতিমি) শাসক (অষ্টাদশ ইসলামইলি ইমাম) মুসতানসিরের মৃত্যুর পর উবায়দি রাজপরিবারের পরবর্ত্তী শাসক ও ইমাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক দল তার পুত্র নিযার আল-মুসতাফা লি দ্বীনিল্লাহকে ইমাম দাবি করে। এরাই ইতিহাসে নিযারিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। অপর দল তার আরেক পুত্র আহমাদ মুসতালিকে ইমাম দাবি করে।… Continue reading

  • নিযারিয়া

    ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিস্টাব্দে) অষ্টম উবায়দি (ফাতিমি) শাসক (অষ্টাদশ ইসলামইলি ইমাম) মুসতানসিরের মৃত্যুর পর উবায়দি রাজপরিবারের পরবর্ত্তী শাসক ও ইমাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক দল তার পুত্র নিযার আল-মুসতাফা লি দ্বীনিল্লাহকে ইমাম দাবি করে। এরাই ইতিহাসে নিযারিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু এক সময় নিযার আল-মুসতাফার ভাই আহমাদ মুসতালি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল… Continue reading

  • কারামিতা বা বাতিনী বা খাররামী বা বাবুকী বা মুহাম্মিরা বা সপ্তগ্রহী বা তালিমিয়া

    আবু মাইসারা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় ইসমাইল বিন জাফর সাদিককে নিজেদের সপ্তম ইমাম দাবি করত। ১৩৯ হিজরি সালে (৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে) ইসমাইলের পূত্র মুহাম্মদ বিন ইসমাইল ইমামত কবুল করে ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় দাবি করে যে, তিনি আত্মগোপন করে আছেন এবং অতি শীঘ্রই ইমাম মাহদি নামে আত্মপ্রকাশ করে পৃথিবীতে ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন। এ সময় আব্বাসি… Continue reading

  • ইসমাইলিয়া শিয়াদের ইতিহাস

    আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে, ইসমাইলিয়ারা মুসাবিয়া ও বারো ইমামপন্থীদের থেকে ভিন্ন, কারণ তারা জাফর -এর জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাইলের ইমামত এবং তিনিই প্রথম ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন এই বিশ্বাস পোষণ করে। তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, জাফর ইসমাইলের মায়ের সাথে বিবাহবন্ধনে থাকাকালীন অন্য কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেননি, কিংবা কোনো উপপত্নীও রাখেননি। এ ক্ষেত্রে তিনি খাদিজা… Continue reading

  • রিযামিয়্যা

    এরা হলেন রিযাম ইবনে রাযমের অনুসারী। তাদের মতে, আলী -এর পর ইমামত স্থানান্তরিত হয় তাঁর পুত্র মুহাম্মাদের কাছে, মুহাম্মাদের পর তাঁর পুত্র আবু হাশিমের কাছে, এবং তারপর আবু হাশিমের মনোনয়ের মাধ্যমে আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের কাছে। এরপর এটি মুহাম্মাদ ইবনে আলীর কাছে যায়, যিনি পালাক্রমে তাঁর পুত্র ইবরাহীমকে ইমাম নিযুক্ত করেন; তিনি আবু মুসলিমের… Continue reading

  • বায়ানিয়্যা (বায়ানী সম্প্রদায়)

    আবু মাইসারা এরাই হচ্ছেন বায়ান ইবনে সাম’আন আত-তামীমীর অনুসারী, যার কাছে আবু হাশিমের মৃত্যুর পর ইমামত স্থানান্তরিত হয় বলে তারা দাবি করে।[১,২] সে বলতো, আল্লাহ তার কথা কুরআনে বর্ণনা করেছেন[১] যেখানে আল্লাহ বলেছেনঃ ‘এটা মানুষের জন্য বায়ান (স্পষ্ট বর্ণনা) ও হিদায়াত এবং উপদেশ মুত্তাকীদের জন্য।’[৩] বায়ান ছিলেন একজন গুলুও (চরমপন্থী) যিনি আমীরুল মু’মিনীন আলী (রা)-এর… Continue reading