শিয়া ঐতিহাসিক, হাদীসের রাবী, শাসকগণ ও গল্পকার
-
শিয়া নেতা ও হাদীসবিশারদগণ
যাইদিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা জারুদিয়া মতাবলম্বী ছিলেন: আবু খালিদ আল-ওয়াসিতী, মানসুর ইবনুল আসওয়াদ ও হারুন ইবন সা’দ আল-‘ইজী। আর নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা বত্রিয়া মতাবলম্বী ছিলেন: ওয়াকি’ ইবনুল জাররাহ, ইয়াহয়া ইবন আদম, ‘উবাইদুল্লাহ ইবন মুসা, ‘আলী ইবন সালিহ, আল-ফাদল ইবন দাকিন ও আবু হানীফা। ইমাম মুহাম্মাদের সমর্থনে মুহাম্মাদ ইবন ‘আজলান বিদ্রোহ করেন। ইমাম ইবরাহিমের সমর্থনে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা বিদ্রোহ করেন: ইবরাহিম ইবন Continue reading
-
হাসান বিন সাফি
হাফেজ ইমাদুদ্দিন ইবনে কাসির ৫৬৮ হিজরীর ঘটনাবলী লিখতে গিয়ে লিখেছেন, এ বছর বাগদাদের একজন আমীর হাসান বিন সাফি মারা যায়। সে ছিল রাফেজি( শিয়া) এবং প্রচন্ড বিদ্বেষী। তার মৃত্যুতে আহলুস সুন্নাহর সকলে খুশি হয়। তারা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে৷ (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১২/৩৩৮) খতিব বাগদাদির উস্তাদ ইবনুন নাকিব কোথাও বসা ছিলেন৷ এ সময় রাফেজিদের(শিয়া) Continue reading
-
মুহাম্মাদ ইবনে জারির ইবনে রুস্তম আত-তাবারী (ইবনে রুস্তম আত-তাবারী)
মুহাম্মাদ ইবনে জারির ইবনে রুস্তম আত-তাবারী ছিলেন কুখ্যাত ইসনা আশারিয়া (Twelver) শিয়া পণ্ডিত, যিনি ৯ম-১০ম শতাব্দীতে (খ্রিস্টীয়) সক্রিয় ছিলেন। তিনি উত্তর ইরানের কাস্পিয়ান সাগর সংলগ্ন তাবারিস্তান অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। একই “আত-তাবারী” উপাধিধারী অন্যান্য পণ্ডিত থাকায় সাধারণ মুসলিমরা কখনো কখনো এই কুফরী মতবাদ প্রচারকারী শিয়া রুস্তম আত-তাবারীকে ইসলামের মহান পন্ডিত মনে করেন। আসলে এই তাবারী হলো কুফরী মতবাদের প্রচারক। Continue reading
