মেনু

শিয়াদের বিভিন্ন দল-উপদল

  • আবু হাশিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ

    তিনি হলেন আবু হাশিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ, তাকে আব্দুল্লাহ আল-আকবর বলা হয়। ইবনে সাদ বলেন: “আবু হাশিম রেওয়ায়েত বা বর্ণনার অধিকারী ছিলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। শিয়ারা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করত এবং তাঁকে নেতা মানত।” ইমাম বুখারী ও মুসলিম তাদের সহীহ গ্রন্থে তাঁর বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। তিনি ৯৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ… Continue reading

  • মুগীরা বিন সাদ আল-কুফী

    তিনি হলেন মুগীরা বিন সাদ আল-কুফী। ইয়াহইয়া বলেন: “সে ছিল একজন চরম মিথ্যাবাদী।” সুদ্দী বলেন: “নবুওয়াতের দাবি করার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে।” ইবনে হিব্বান বলেন: “সে ছিল রাফেজীদের মধ্যকার এক নির্বোধ ব্যক্তি যে হাদিস জাল করত।” খতিব বলেন: “সে রাফেজী মতবাদে চরমপন্থী ছিল এবং তার দিকে একটি দল সম্পৃক্ত।” তিনি ১১৯ হিজরিতে নিহত হন।… Continue reading

  • মুখতার আস-ছাকাফীঃ- রাফেজী শিয়া ধর্মের ভণ্ড নবীর বৃত্তান্ত

    মুখতার আস-ছাকাফীঃ- রাফেজী শিয়া ধর্মের ভণ্ড নবীর বৃত্তান্ত

    মূলঃ শিয়া-রাফেযী The Rafidologist {ইসলামের ইতিহাস গ্রন্থ ও শিয়া ধর্মগ্রন্থ হতে} মুখতার ইবনে আবু উবায়দ আস-ছাকাফী। তায়েফের ছাকীফ গোত্রে জন্মগ্রহণকারী শিয়া ধর্মের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি, যাকে পরম শ্রদ্ধার সাথে ধর্মীয় বীর ও মহান নেতা গণ্য করা সাবাঈ শিয়া ধর্মে। ইহুদি আবদুল্লাহ ইবনে সাবা’র দ্বারা ইমামত আকিদার উৎপত্তির পরে প্রায় ২০০-৩০০ বছরের বেশি সময় লাগে বর্তমান… Continue reading

  • মুখতার সাক্বাফি: এক মিথ্যাবাদীর উপাখ্যান

    মুখতার সাক্বাফি: এক মিথ্যাবাদীর উপাখ্যান

    মূলঃ নাদের জাভেরী শিয়্যিই (আর্টিকেলটি এক রাফেজী শিয়া লেখকের) মুখতার সাক্বাফি সম্পর্কে একটি সহিহ (বিশুদ্ধ) হাদিস রয়েছে যেখানে কারবালার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার কারণে তার প্রশংসা করা হয়েছে। এই হাদিসটি শুধুমাত্র হোসাইন (রা) এবং তাঁর সঙ্গীদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখতারের কাজের প্রশংসা করা হয়েছে । হাদীসটি হলো- হাদীস-১ঃ إبراهيم بن محمد الختلي قال حدثني أحمد… Continue reading

  • মুখতার আস সাকাফি – হোসাইন (রা)-এর প্রতিশোধ গ্রহণকারী নাকি দুমুখো রাজনীতিবিদ?

    মুখতার আস সাকাফি – হোসাইন (রা)-এর প্রতিশোধ গ্রহণকারী নাকি দুমুখো রাজনীতিবিদ?

    (মূল পোস্ট-Al Mukhtar Al Thaqafi – Avenger of Al Husain or Two-Faced Politician?) মুখতার আস সাকাফি বরাবরই সুন্নি এবং শিয়াদের মধ্যে এক বিতর্কিত চরিত্র। প্রথম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তাঁর কর্মকাণ্ড এই অঞ্চলে পরিবর্তনের একটি ঢেউ তুলেছিল। হোসাইন (রা)-এর হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাঁর ডাক বা আহ্বানের গুরুত্ব নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেই আহ্বানের কারণেই… Continue reading

  • হারুন ইবন সা’দ আল-আজলী

    তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের প্রধান জায়দিয়া নেতা। তিনি হাদিস ও জ্ঞানে সাধনায় নিয়োযিত ছিলেন, এবং তিনি কবিতাও লিখতেন। তিনি প্রবীণ অবস্থায় ইব্রাহিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন হাসান আল-তালিবির সাথে বিদ্রোহে অংশ নেন। ইবরাহিম তাঁকে লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেন এবং তাঁকে দায়িত্ব দেন। তার চারপাশে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিল এবং তিনি মনসুরের সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন, এবং তিনি… Continue reading

  • রাফেজী শিয়াদের ইতিহাস-ভূমিকা

    আবু মাইসারা শিয়াদের অন্যতম ভয়ংকর ফিরকা হলো এই রাফেজী শিয়া। ইহাদিগকে রাফেজী বলার কারণ এই যে, ইহারা অধিকাংশ সাহাবাকেই পরিত্যাগ করিয়াছে এবং হযরত আবু বকর (রা:) ও হযরত উমর ফারুক (রা:)-এর খেলাফতকে অস্বীকার করিয়াছে।[১] কেহ কেহ রাফেজী নামকরনের কারণ এইরূপ বলে যে, যখন হযরত জয়নুল আবেদীনের মুখ হইতে হযরত আবু বকর (রা:) এবং হযরত উমর… Continue reading

  • ফাতিমিয়া বা উবাইদিয়্যা

    পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় ইসমাইল বিন জাফর সাদিককে নিজেদের সপ্তম ইমাম দাবি করত। ১৩৯ হিজরি সালে (৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে) ইসমাইলের পূত্র মুহাম্মদ বিন ইসমাইল ইমামত কবুল করে ইসমাইলিয়া সম্প্রদায় দাবি করে যে, তিনি আত্মগোপন করে আছেন এবং অতি শীঘ্রই ইমাম মাহদি নামে আত্মপ্রকাশ করে পৃথিবীতে ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন। এ সময় আব্বাসি খিলাফতের দুর্বলতার… Continue reading

  • মুসতালিয়া

    ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিস্টাব্দে) অষ্টম উবায়দি (ফাতিমি) শাসক (অষ্টাদশ ইসলামইলি ইমাম) মুসতানসিরের মৃত্যুর পর উবায়দি রাজপরিবারের পরবর্ত্তী শাসক ও ইমাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক দল তার পুত্র নিযার আল-মুসতাফা লি দ্বীনিল্লাহকে ইমাম দাবি করে। এরাই ইতিহাসে নিযারিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। অপর দল তার আরেক পুত্র আহমাদ মুসতালিকে ইমাম দাবি করে।… Continue reading

  • নিযারিয়া

    ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিস্টাব্দে) অষ্টম উবায়দি (ফাতিমি) শাসক (অষ্টাদশ ইসলামইলি ইমাম) মুসতানসিরের মৃত্যুর পর উবায়দি রাজপরিবারের পরবর্ত্তী শাসক ও ইমাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক দল তার পুত্র নিযার আল-মুসতাফা লি দ্বীনিল্লাহকে ইমাম দাবি করে। এরাই ইতিহাসে নিযারিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু এক সময় নিযার আল-মুসতাফার ভাই আহমাদ মুসতালি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল… Continue reading